স্বচ্ছ কাঁচের বোতলটার ভেতর জমে আছে যেন গোধূলির আলো আর নরম বিকেলের এক মিশ্র অনুভূতি। দূর থেকে দেখলেই মনে হয়, এটা হয়তো খুব শান্ত, খুব স্নিগ্ধ কোনো একটা ঘ্রাণ। কিন্তু ক্যাপটা খুলতেই বোঝা যায়, এর ভেতরে শুধু মিষ্টতা না, আছে একদম জীবন্ত একটা সতেজতা, যেটা মুহূর্তেই চারপাশ বদলে দেয়।
শুরুর ঘ্রাণে আসে টাটকা গোলাপের শিশিরভেজা কোমলতা, সাথে হালকা ফলেল মিষ্টি একটা আভা—যেন সদ্য ছিলকা ছাড়ানো লিচুর হালকা রস মিশে গেছে বাতাসে। পুরো অনুভূতিটা এতটাই মোলায়েম আর পরিষ্কার যে, মনে হবে সকালবেলার ঠাণ্ডা আলো গায়ে মেখে হাঁটছেন কোনো ফুলে ভরা বাগানের ভেতর দিয়ে। ঘ্রাণটা খুব জোরে নিজের উপস্থিতি জানান দেয় না, বরং ধীরে ধীরে আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ে।
একটু সময় যেতেই এর ফুলেল দিকটা আরো গভীর হয়ে ওঠে। জেসমিনের নরম সৌরভ আর এম্বারের উষ্ণ মিষ্টতা মিলে একধরনের অভিজাত, শান্ত আবেশ তৈরি করে। এখানেই “রাহে বাদার” তার আসল রূপটা দেখাতে শুরু করে একদম নরম, আকর্ষণীয়, অথচ একদম অতিরিক্ত নয়। শেষে যখন হালকা মাস্কি আর ক্রিমি একটা আবরণ এসে বসে, তখন পুরো ঘ্রাণটা যেন ত্বকের সাথেই মিশে যায়। থেকে যায় খুব কোমল, খুব পরিচ্ছন্ন একটা স্মৃতি। যেটা বারবার কাছে টেনে নিতে ইচ্ছে হয়।





Reviews
There are no reviews yet.