বিগত কিছুদিন যাবৎ আমাদের ন্যাচারাল সেকশনটার ছোট একটা অংশ উন্মুক্ত করার পর পেইজে বেশকিছু ভাই ব্রাদারগণ নিয়মিত ম্যাসেজ পাচ্ছি যে “ভাই! আপনি ব্যাপকভাবে ন্যাচারাল আইটেম নিয়ে দেশে কাজ করছেন না কেন? আপনার তো সুযোগ আছে” আমি এর উত্তর দেই এভাবে যে, “কারন আমি আপনাদের মন খারাপের কারন হতে চাই না”
.
ন্যাচারাল আইটেম নিয়ে আমি মানুষের মধ্যে প্রচণ্ড আগ্রহ দেখেছি, কিন্তু সবাই একটা জায়গাতে এসেই থেমে যায়, সেটা হচ্ছে “সামর্থ্য” কেউ যখন প্রাইজ রেঞ্জ দেখে আফসোসের সূরে কিংবা মজাচ্ছলেই কিছু বলে তখন আমার বেশ খারাপ লাগে, কারন আমি দুবাইতে শেখদের দেখেছি আতরের দোকানে ঢুকে এক বসায় কোটি টাকার আতর কিনে ফেলতে, স্বর্ণের দোকানে ঢুকে ৩/৪ কোটি টাকা এমনভাবে খরচ করে যেন সে বনরুটি আর কলা কিনছে, একবার এক ইমারতির সাথে ট্রাভেল করছিলাম, হঠাৎ ফোনে একটা ঘড়ির এড দেখে তার মনে চাইলো একটা রোলেক্স কেনা দরকার, আর সাথে সাথেই শো-রুমে ঢুকে একটা রোলেক্স ডে-টোনা কিনে বের হয়ে এলো৷ মানে টাকা খরচটা ওদের কাছে ফুর্তির মতো, আর আমার দেশের মানুষ এব্যাপারে কতটা অসহায়! এজন্যই এমনকিছু কোথাও প্রচার করা উচিৎ নয় যেটা সেখানের লোকেদের সাধ্যের বাইরে
.
যারা ন্যাচারাল আইটেম নিয়ে কাজ করে তারা জানে, আন-নাজওয়া, গফুর, আগারঅউরা, আনসার অউদ, আদাম, ইয়ানকিন শাং এর মতো লোকেরা কারা, ইনারা হচ্ছেন ন্যাচারাল আতরের জগতে শাহেনশাহ, মজার কথা হচ্ছে ন্যাচারাল আইটেমের ক্ষেত্রে তাদের ও আমার সাপ্লাইয়ার সেইম। কিন্তু তবুও আমি আমার দেশের মানুষকে নিজেদের জিনিস খাওয়াতে পারিনা এগুলোর লিমিটলেস প্রাইজেদর কারনে। তবে আশা করি যে, একদিন এইদেশেও ন্যাচারাল আইটেমের নীরব বিপ্লব ঘটবে এবং ইনশাআল্লাহ আল্লাহ এগুলো কেনার সামর্থ্যও আমাদের দিবেন৷