জাপানের চেরি ব্লোজম যে কি কুদরতি সৌন্দর্য তা একজন মানুষ সরাসরি চোখে না দেখলে বুঝতে পারবেনা এবং এসময় পরিবেশ যেই রূপটা নেয় তাও পারবেনা অনুভব করতে৷
২০০৯ সালে আমি প্রথম জাপান সফর করি, স্প্রিং এর সময়টা যখন চেরি ব্লোজমের পার্ফেক্ট টাইম তখন আমি ভাগ্যক্রমে উপস্থিত ছিলাম ওসাকা ক্যাসেল পার্কে যা জাপান তো বটেই বরং পুরো দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ চেরি ব্লোজম ভিউয়িং স্পট৷
আমি ভেবেছিলাম চেরি ব্লোজম হয়ত কেবলই সৌন্দর্য কিন্তু না মুগ্ধতা কয়েকগুণ বেড়েছিলো এর সুগন্ধিতে৷ প্রথমবারের মতো যখন আমি চেরি ব্লোজমের ঘ্রাণ নিয়েছিলাম আমি হারিয়ে গিয়েছিলাম গোলাপি রঙা এক প্রকৃতির কোলে, পুরোটা এলাকা সুগন্ধে সুরভিত ছিলো, এটা ছিল এক আজীব অনুভূতি৷ আর মিৎসুকে পার্কের চেরি ব্লোজম তো যেন স্বর্গীয় অনুভূতি এনে দেয়৷
জাপানিরা বেশ প্রকৃতিপ্রেমী তারা এই চেরি ব্লোজমের ন্যাচারাল পার্ফিউম ডিস্টিলড করে তা চামড়ার ব্যাগে ঢুকিয়ে সেল করে পার্কগুলোর সামনেই খুবই পরিপাটি সিষ্টেমে। পার্কের সামনের এই ছোট দোকানগুলো থেকে আমি একটা পাউচ কিনতে চেয়েছিলাম যার দাম ছিলো তখন ১৫ হাজার ইয়ান, তখন আমি স্টুডেন্ট মানুষ তাই আমার বাজেটে কুলায়নি৷
পরবর্তীতে টোকিও এসে একটা সিন্থেটিক পার্ফিউম কিনি ৩০ মিলির ৪২০০ ইয়ান দিয়ে। আর আজকে যেই চেরি ব্লোজমটা আমি আপনাকে দিবো না? সেটাও প্রায় সবটাই এই ৪২০০ ইয়ানের চেরি ব্লোজম পার্ফিউম অয়েল বা অরিজিনাল স্মেলকেই রেপ্লিকেট করে৷ আবারো বলি, ঘ্রাণটাতে আপনি হুবুহু চেরি ব্লোজমের সুঘ্রাণ পাবেন না কারন প্রকৃতিকে হুবুহু নকল করা যায়না, তবে ৯০% পাবেন৷
চেরিব্লোজমের মূল ঘ্রাণের সাথে আপনারা হানি, ভেনিলা, পাউডারের মতো সফট ঘ্রাণের একটা চমৎকার বেইজ পাবেন এই চেরি ব্লোজম সুগন্ধিটিতে৷ আপনি যদি খুব ঠাণ্ডা, শীতল মানসিকতার হন বা সফটনেস যদি আপনার ভালো লেগে থাকে সাথে ফ্লোরালের স্মেলও ইঞ্জয় করেন, তাহলে চেরি ব্লোজমের চেয়ে ভালো আর মেবি কিছুই পাবেননা৷



Reviews
There are no reviews yet.