রাত দশটার শহর এখন আর পুরোপুরি ঘুমায় না। রাস্তার আলো, দূরের গাড়ির শব্দ আর ছাদের হালকা হাওয়ায় বন্ধুদের সাথে এখনো চলে জম্পেশ আড্ড, আধঘুম শহরে এক দানবীয় সুবাসের খোঁজ পাওয়া যায় তার নাম 212 NYC Men, ঠিক যেন শহুরে এনার্জির ঘ্রাণ। এটা এমন ঘ্রাণ, যা আপনাকে ক্লান্তির মাঝেও চনমনে রাখে, আর আশেপাশের মানুষকে ভালো লাগার একটা অনুভূতি দিয়ে যায়।
ওপেনিং এর সাথেসাথেই নাকে আসে বার্গামট আর গ্রেপফ্রুটের ঝকঝকে, টকটক সতেজতা। এটা এমন ফ্রেশনেস, যা ঘুম ভাঙার মতো করে মুহূর্তেই মেজাজ বদলে দেয়। সাইট্রাসের এই শুরুটা এনার্জেটিক, কিন্তু কড়া নয়। এর ভেতরে একটা পরিষ্কার, প্রাণবন্ত ভাব আছে, যা প্রথম মুহূর্তেই ভালো লাগার ছাপ ফেলে।
কিছুক্ষণ পর ঘ্রাণটা তার আসল মুড দেখায়। আদার হালকা ঝাঁঝ আর ভায়োলেট লিফের সবুজ, ক্রিস্প মিলে ঘ্রাণটাকে করে তোলে আধুনিক আর সতেজ। এই ধাপে সাইট্রাসের তীব্রতা সফট হয়ে আসে, আর একটা মার্জিত, ক্লিন স্পাইসি টেক্সচার তৈরি হয়। এটা বাড়াবাড়ি রকমের মিষ্টি নয়, আবার একঘেয়ে হার্বালও নয়।
বেইসে গিয়ে ঘ্রাণটা স্থির হয় চন্দন, সিডারউড, অ্যাম্বার আর মাস্কের নরম উষ্ণতায়। চন্দন দেয় মসৃণ ক্রিমি ফিনিশ, সিডারউড দেয় হালকা শুকনো কাঠের ভাব, অ্যাম্বার আনে মৃদু উষ্ণতা, আর মাস্ক পুরো ঘ্রাণটাকে ত্বকের সাথে মিশিয়ে দেয়। এখানে এসে মনে হয় ঘ্রাণটা যেন আপনার নিজেরই অংশ, আলাদা করে লাগানো কিছু নয়।
পারফরম্যান্সের দিক থেকে এটা ত্বকের কাছাকাছি থেকে মাঝারি প্রজেকশন দেয়, যা অফিস বা ক্লাসের মতো জায়গায় পারফেক্ট, কারণ কাউকে বিরক্ত না করেই নিজের উপস্থিতি জানান দেয়। কবজি, গলার পাশে বা কানের পেছনে লাগালে কয়েক ঘণ্টা সতেজ থাকে। দিনের মাঝখানে একবার রি-অ্যাপ্লাই করলে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘ্রাণটা সমান ফ্রেশ থাকে।
ব্যবহারের জন্য এটা সবচেয়ে ভালো স্প্রিং, অটাম আর সামার সিজনে। অফিস, ভার্সিটি, বন্ধুদের সাথে আউটিং কিংবা ক্যাজুয়াল ডেট, সব জায়গাতেই এটা স্বচ্ছন্দে মানায়। ঘাম আর ভ্যাপসা গরমেও ঘ্রাণটা ভারী লাগে না, বরং ক্লিন এবং রিফাইনড অনুভূতি ধরে রাখে।





Reviews
There are no reviews yet.