আপনাদের জন্য Amouage Reflection Men এর একটা বেস্ট ডুপ অয়েল এনেছি, কেন এনেছি জানেন? যেন এটার ফুল ফিলটা আপনারা বাজেটের মধ্যেই নিতে পারেন৷ যেহেতু আমোয়াজ বা মিডেল ইস্টার্ণ লাক্সারির প্রোডাক্টগুলোর দাম অনেক বেশি এবং সেটা অনেকের জন্যই ফুল প্রেজেন্টেশন কেনা কষ্টকর, সেজন্যই আপনাদের জন্য এই প্রচেষ্টা৷ আর আমাদের ইম্প্রেশনের স্মেল কিন্তু প্রায় সেইম সেইম মিলে। তবে গল্পটা আমি ওজি-টা দিয়েই বলবো৷
একটা ট্রিপ থেকে ফেরার কয়েকদিন পর আলমারি গোছাতে গিয়ে হঠাৎ Amouage Reflection Men এর বক্সটা হাতে চলে এসেছিল। বোতলটা বের করে এমনিতেই একটু ইউজ করলাম। তারপর নিজের অজান্তেই আরেকবার।
মজার ব্যাপার হলো, এই সেন্টটা প্রথমে খুব জোরে নিজের উপস্থিতি জানান দেয় না। রোজমেরি, বিটার অরেঞ্জ আর পিঙ্ক পেপার মিলে একটা ক্লিন, গ্রিন আর অ্যারোম্যাটিক ফ্রেশনেস আসে। কিন্তু কয়েক মিনিট পরেই আসল সৌন্দর্যটা ধরা পড়ে।
নেরোলি, জেসমিন, ইয়াং ইয়াং আর অরিস মিলে একটা খুব স্মুথ, ক্রিমি হোয়াইট-ফ্লোরাল ফিল তৈরি করে। ফুলেল, কিন্তু কোনোভাবেই নরম বা সাধারণ মনে হয় না। বরং পুরো ব্যাপারটার মধ্যে একটা পরিপাটি, অভিজাত চরিত্র আছে।
আর ড্রাইডাউনে যখন স্যাণ্ডালউড, সিডারউড, প্যাচৌলি আর ভেটিভার বসে যায়, তখন সেন্টটা আরও গভীর হয়। একটা পরিষ্কার, সিল্কি উডি ফিল আসে। যেটাকে আমার কাছে দামি কোনো হোটেলের লবি বা সদ্য ইস্ত্রি করা সাদা শার্টের সঙ্গে তুলনা করা যায়।
এই পারফিউমের সবচেয়ে সুন্দর ব্যাপার আমার কাছে এর ভারসাম্য। এটা চিৎকার করে লাক্সারি দেখায় না, বরং কাছে এলে বোঝা যায় জিনিসটা আলাদা।
পারফরম্যান্সও বেশ ভালো। প্রথম কয়েক ঘণ্টা প্রজেকশন নোটিসেবল থাকে, এরপর ধীরে ধীরে সফট হয়ে স্কিনের কাছে বসে যায়। আমার ক্ষেত্রে প্রায় ৬–৮ ঘণ্টা পেয়েছি, যদিও ওয়েদার আর স্কিন কেমিস্ট্রির কারণে এটা কমবেশি হতেই পারে।
কিছু পারফিউম শুধু ভালো গন্ধ দেয়, আর কিছু পারফিউম একটা ইমেজ তৈরি করে। Amouage Reflection Men আমার কাছে দ্বিতীয় ধরনের – চুপচাপ, পরিষ্কার, রিফাইন্ড আর ভীষণ লাক্সারিয়াস।




Reviews
There are no reviews yet.