শীতের গভীর রাতে চায়ের কাপ হাতে জানালার পাশে বসে আছেন। বাইরে কুয়াশা, ভেতরে হালকা আলো, আর কোথাও থেকে ভেসে আসছে পুরনো কোনো মিষ্টি স্মৃতির মতো উষ্ণ একটা ঘ্রাণ। Side Effects ঘ্রাণটা ঠিক সেই অনুভূতির নাম। এটা একবার নাকে লাগলে আপনি পরে খেয়াল করবেন, দিনের কাজের ফাঁকে বারবার ঘ্রাণের দিকেই নাক চলে যাচ্ছে।
ওপেনিংয়েই ঘ্রাণটা তার সাহসী ভূমিকার কথা জানিয়ে দেয়। রামের গরম, মোহনীয় মিষ্টতার সাথে দারুচিনি আর জায়ফলের মশলাদার উষ্ণতা মিলে এমন এক আবহ তৈরি হয়, যেন কোনো আভিজাত্যপূর্ণ লাউঞ্জে ঢুকে পড়েছেন। এখানে কোনো হালকা ভাব নেই, আছে আত্মবিশ্বাসী আর রহস্যময় এক শুরু। মশলার ঝাঁঝটা এতটাই মার্জিত যে সেটা কড়া লাগে না, বরং কৌতূহল জাগায়।
কিছুক্ষণ পর মানে হার্ট সাইডে এসে ঘ্রাণটা স্মুদার হয়ে যায়। তামাকপাতার শুকনো, মাটিময় আভা আর ক্রিমি ভ্যানিলার মিষ্টতা একসাথে মিশে তৈরি করে এক ভেলভেটি টেক্সচার। এই ধাপটাই Side Effects-এর আসল জাদু। মিষ্টি আছে, কিন্তু বেশি নয়। ধোঁয়াটে ভাব আছে, কিন্তু ভারী নয়। দুইয়ের এই ভারসাম্য ঘ্রাণটাকে করে তোলে অদ্ভুত রকম আসক্তিকর, ঠিক নামের মতোই।
বেইসে গিয়ে ঘ্রাণটা স্থির হয় টঙ্কা বিন, বেনজোইন আর চন্দনের উষ্ণ আলিঙ্গনে। এখানে মিষ্টতা ধীরে ধীরে নরম, পাউডারি আর কাঠের মতো গভীর একটা ফিনিশে রূপ নেয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা এই উষ্ণতা আপনার স্কিনে আর জামাকাপড়ে লেগে থাকে। আপনি চলে যাওয়ার পরেও আশেপাশের মানুষ টের পায় যে একটু আগে কেউ একজন এখান দিয়ে গেছে।
Side Effects মূলত ঠাণ্ডা আবহাওয়ার ঘ্রাণ। শীতের সন্ধ্যা, বর্ষার ভেজা রাত, বা এসি-চালানো ঘরের ডিনার ডেটে এটা সবচেয়ে ভালো ফোটে। বিয়ের অনুষ্ঠান, পার্টি, নাইট আউট, কিংবা এমন যেকোনো মুহূর্ত, যেখানে আপনি চান মানুষ আপনাকে মনে রাখুক, সেখানে এটা দারুণ মানায়। প্রজেকশন আর লংজিভিটি দুটোই জোরালো।
যারা সবসময় নিরাপদ আর চেনা ঘ্রাণ বেছে নেন, তাদের জন্য এটা একটু আলাদা অভিজ্ঞতা হবে। আর যারা এমন কিছু খুঁজছেন যা পরিচিত অথচ ভিড়ের মাঝে আলাদা করে চেনা যায়, তাদের জন্য Side Effects একদম পারফেক্ট। একবার ব্যবহার করলে এর সাইড ইফেক্ট কাটানো কঠিন, মানে মুগ্ধতা, প্রশংসা আর বারবার ফিরে আসার ইচ্ছা।



Reviews
There are no reviews yet.