গরমে হাঁসফাঁস করা এক বিকেলে হঠাৎ যদি খোলা জানালা দিয়ে ঠাণ্ডা বাতাস ঢুকে মুখ ছুঁয়ে যায়, শরীরের ক্লান্তিটা যেমন অদ্ভুতভাবে হালকা লাগে, সিলভার মাউন্টেইন ওয়াটারের অনুভূতিটাও ঠিক তেমন। এটা এমন এক ঘ্রাণ, যেটা নিজের উপস্থিতি তেমন জোরে জানান দেয় না, বরং নিঃশব্দে চারপাশকে পরিষ্কার আর কম্ফোর্টেবল করে তোলে।
ওপেনিং এ আসে কাঁচা-টাটকা সাইট্রাসের ঝকঝকে এক সতেজতা। যেন সদ্য ধোয়া সাদা কাপড় রোদে শুকিয়ে এনে গায়ে জড়ানো হয়েছে এতোটাই ফ্রেশ। এর ভেতরে একটা হালকা সবুজাভ পরিচ্ছন্ন ভাব আছে, যেটা মুহূর্তেই মনকে ফ্রেশ করে দেয়। কিছুক্ষণ পর ঘ্রাণটা আরো লাইট হয়ে আসে, সাইট্রাসের ধার কমে গিয়ে ধীরে ধীরে ফুটে ওঠে পরিচ্ছন্ন মাস্কি একটা লেয়ার। পুরো ব্যাপারটাই এত স্মুথলি ঘটে যে বুঝতেই পারবেন না কখন ঘ্রাণটা আপনার স্কিন আর ফেব্রিকসের সাথে মিশে গেছে।
সিলভার মাউন্টেইন ওয়াটারের সবচেয়ে সুন্দর দিক হলো, এটা কখনো হেভি ফিল হয় না। বরং দিনের ভিড়ভাট্টা, রোদ, ঘাম সবকিছুর মাঝেও নিজেকে পরিপাটি আর সতেজ অনুভব করায়। অফিসে বের হওয়ার আগে, বিকেলের নিরিবিলি হাঁটায়, কিংবা নামাজ শেষে পরিচ্ছন্ন পোশাকে, এই ঘ্রাণটা সবসময় একধরনের শান্ত, মার্জিত উপস্থিতি তৈরি করে রাখে।





Reviews
There are no reviews yet.